রাজধানীর কারওয়ান বাজারে গত সপ্তাহের তুলনায় কিছুটা কমেছে বিভিন্ন ধরনের ফলের দাম। বিশেষ করে আপেল ও মাল্টার দাম কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। তবে বেশ কিছু ফলের দাম এখনো তুলনামূলক বেশি। এতে কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও সব ধরনের ফল এখনো ক্রেতাদের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে আসেনি।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) রাজধানীর কারওয়ান বাজারের বিভিন্ন ফলের দোকান ঘুরে এমন চিত্র দেখা যায়।
সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, বাজারে প্রতি কেজি কমলা বিক্রি হচ্ছে ৩২০ টাকায়। এছাড়া ফুজি আপেল ৩০০ টাকা, দিলশান আপেল ২৫০ টাকা এবং ছোট সাইজের আপেল ৩৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে মানভেদে প্রতি কেজি মাল্টা ২৫০ থেকে ২৮০ টাকা, পেঁপে ৫০ থেকে ৮০ টাকা, আনারস আকারভেদে প্রতিটি ৩০ থেকে ৬০ টাকা এবং সাদা আঙুর ৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
অন্যদিকে, কালো আঙুর প্রতি কেজি ৫৫০ টাকা, আনার ৩৫০ টাকা, ড্রাগন ফল ২৪০ থেকে ২৬০ টাকা, পেয়ারা ৮০ থেকে ১০০ টাকা এবং নাশপাতি ৩২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া সাম্মাম প্রতি কেজি ১০০ টাকা এবং দেশি মাল্টা ১০০ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করতে দেখা গেছে।
কারওয়ান বাজারের ফল ব্যবসায়ী সাইয়েদুল ইসলাম বলেন, গত সপ্তাহের তুলনায় ফলের দাম কিছুটা কমেছে। আপেল ও মাল্টার দাম কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা কমেছে।
বাজারের আরেক ফল ব্যবসায়ী সুলতান আহমদ বলেন, মাল্টা ও আপেলের দাম কিছুটা কমেছে। মাল্টা ২৮০ টাকা বিক্রি করছি। গত সপ্তাহে ৩০০ টাকার উপরে বিক্রি করেছি। আজকে নাশপাতি ৩২০ টাকা বিক্রি করছি। আফ্রিকান আপেলের দাম একটু বেশি বলে তিনি জানান। প্রতি কেজি আফ্রিকান আপেল ৩৫০ টাকা বিক্রি হচ্ছে।
জুম্মার নামাজ আদায় করে কারওয়ান বাজারে ফল কিনতে আসেন আলী হোসেন। তিনি বলেন, পাকা পেঁপে আড়াই কেজি কিনেছি ১৫০ টাকা। দাম মূলত ফলের সাইজের উপর নির্ভর করে। ছোট সাইজের পেঁপে ৫০ টাকা কেজিও বিক্রি করছে। দেশি ফলগুলোর দাম সবসময় কম থাকে। আমি সেগুলো বেশি কিনে থাকি।
এদিকে ফল কিনতে আসা ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, কিছু ফলের দাম কমলেও সব ধরনের ফল কেনার ক্ষেত্রে এখনো হিসাব করে চলতে হচ্ছে। বিশেষ করে বিদেশি ফলের দাম তুলনামূলক বেশি থাকায় অনেকেই প্রয়োজন অনুযায়ী অল্প পরিমাণে ফল কিনছেন।
প্র্রগতি টিভি/ এফ এম
সম্পাদক ও প্রকাশক: জাকির হোসেন,
সকল স্বত্ব সংরক্ষিত @ প্রগতি টেলিভিশন